বগুড়ার বিএনপি নেতা শোকরানার দল ত্যাগের গুঞ্জন

1 min read

নিউজ ডেস্ক: বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য ও বগুড়া জেলা শাখার উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ শোকরানার দেশ এবং দল ছাড়ার গুঞ্জন উঠেছে। এ গুঞ্জনে দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

সমর্থকরা জানান, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ শোকরানা দেশ স্বাধীনের পর বগুড়ায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সক্রিয় রাজনীতি করতেন। ১৯৯৯ সালে বিএনপিতে যোগদান করেন তিনি। সফল ব্যবসায়ী শোকরানা সবসময় বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন।

২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ব্যবসায় দূর্নীতির কারণে গ্রেফতার হন। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে আওয়ামী লীগের আবদুল মান্নানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে হেরে যান।

সর্বশেষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ব্যাপক প্রচারণা চালান। কিন্তু হাইকমান্ড সাবেক এমপি কাজী রফিকুল ইসলামকে টিকিট দেয়ায় তিনি হতাশ হন। এরপর থেকে রাজনীতি থেকে কিছুটা দূরে থাকেন। তাকে দলের সভা-সমাবেশে তেমন দেখা যায়নি।

তখন থেকে প্রচারণা ছড়িয়ে পড়ে শোকরানা শহরতলির ছিলিমপুরে তার তারকা হোটেল নাজ গার্ডেনসহ সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান   বিক্রি বা তার পরিবারের সদস্যদের নামে দলিল করে দিচ্ছেন। পরে তিনি স্ত্রী নাজনীন শোকরানাকে সঙ্গে নিয়ে কানাডা প্রবাসী ছেলে শাফিন আহমেদ রন্টির কাছে চলে যাবেন।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা বিএনপির দায়িত্বশীল এক নেতা জানান, পারিবারিক সমস্যা ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টিকিট বঞ্চিত হওয়ায় শোকরানা প্রচণ্ড হতাশ। এ কারণে তিনি দল ও রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাই তিনি তার হোটেল ও বাড়ি বিক্রির চেষ্টা করছেন। ঢাকা ও বগুড়ার বড় ব্যবসায়ীরা দরদাম করছেন। শিগগিরই এসব বিক্রি হয়ে যাবে। শোকরানার ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ প্রসঙ্গে শোকরানার ঘনিষ্টজন সারিয়াকান্দি উপজেলা বিএনপির সভাপতি সুজাউদ্দৌলা সঞ্জু জানান, তার নেতা (শোকরানা) কানাডা প্রবাসী ছেলের জমজ সন্তানকে দেখতে শনিবার সকালে বিমানে বাংলাদেশ ত্যাগ করেছেন।

ফোন বন্ধ রাখায় জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন জানান, মুখে মুখে এমন কথা শোনা গেলেও এর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।

+ There are no comments

Add yours