নতুন ঘর পেলেন ৫ সন্তানকে নিয়ে ঝুপড়ি ঘরে থাকা পান্না বেগম

0 min read

৫ সন্তানকে নিয়ে ঝুপড়ি ঘরে খেয়ে না খেয়ে দিন পার করা পান্না বেগমের মুখে হাসি ফুটেছে। শুক্রবার (২১ জুন) দুপুরে তার হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দিয়েছেন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুর রহমান।

জানা যায়, সম্প্রতি গণমাধ্যমে ‘৫ সন্তানকে নিয়ে ঝুপড়ি ঘরে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটছে পান্না বেগমের’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুর রহমানের নজরে এলে তিনি ঘর নির্মাণের দায়িত্ব নেন। শুক্রবার দুপুরে নতুন ঘরের চাবি পান্না বেগমের হাতে তুলে দেন তিনি।

পান্না বেগম বলেন, ৫ সন্তান নিয়ে খুব কষ্টে দিন কাটাতাম। বৃষ্টিতে সারারাত জেগে থাকতাম। আমার দুঃখের কথা বলে শেষ করা যাবে না। ইউএনও স্যার আমাকে নতুন ঘরের চাবি দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমি অনেক খুশি। নামাজ পড়ে ইউএনও স্যারসহ সবার জন্য দোয়া করুম।

পান্না বেগমের একমাত্র ছেলে আবদুল্লাহ বলেন, নতুন ঘর হওয়ায় এখন পড়তে অসুবিধা হবে না। নিয়মিত স্কুলে যেতে পারব। সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।

ছয়ানী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ওহিদুজ্জামান ওহিদ বলেন, পান্না বেগমের স্বামী মানসিকভাবে অসুস্থ তাই তিনিই ৫ সন্তান নিয়ে কষ্টে দিনাতিপাত করেন। আর কষ্ট করতে হবে না পান্না বেগমের। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শিখা সংসদের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এই ঘরটি নির্মাণ করেছেন। আজকে এই ঘরের চাবি হস্তান্তর হলো।

বেগমগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুর রহমান বলেন, ঢাকা পোস্টের নিউজটা দেখে আমি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শিখা সংসদের সহযোগিতা নেই। ইউপি চেয়ারম্যান মো. ওহিদুজ্জামানও আমাকে সহযোগিতা করেছেন। অসুস্থ স্বামী ও ৫ সন্তান নিয়ে বাস করা পান্না বেগমের পাশে থাকতে পেরে ভালো লাগছে। এখন তিনি বিবাহযোগ্য মেয়ের বিয়ে দিতে পারবে অন্য সন্তানেরা ঠিকভাবে পড়াশোনা করতে পারবে। পান্না বেগমের যেকোনো অসুবিধায় উপজেলা প্রশাসন আছে। আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বর্তমান সরকার গৃহহীন ভূমিহীন মুক্ত করছে। সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

এ সময় শিখা সংসদের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মানিক, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান সবুজসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়তে পারেন

+ There are no comments

Add yours