সিলেটে এসএসসি পরীক্ষার হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভুয়া কর্মকর্তা!

0 min read

নিউজ ডেস্ক: এসএসসি পরীক্ষার হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে পরিদর্শনে যাওয়া এক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাকে কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সিলেটের ওসমানীনগরের দয়ামীর ইউনিয়নের সদরুননেছা উচ্চ বিদ্যালয়ে মঙ্গলবার এ ঘটনা ঘটে।

দণ্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর নাম সামছুদ্দোহা শাওন। সে পার্শ্ববর্তী বালাগঞ্জ উপজেলার বোয়াজুড় ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের প্রবাসী আতাউর রহমানের ছেলে ও তাজপুর ডিগ্রি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষের ছাত্র।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওসমানীনগরের ইউএনও মো. আনিছুর রহমান তার কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে শাওনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

শাওন মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় দয়ামীর ইউনিয়নের সদরুননেছা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে হল পরিদর্শন করতে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করে।

কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসমানীনগর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুস সালাম শাওনের কথাবার্তা অসংলগ্ন মনে হলে কেন্দ্র সচিবসহ আব্দুস সালাম শাওনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে শাওন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভুয়া কর্মকর্তা হিসেবে নিজের দোষ স্বীকার করে। এ সময় শাওনের কাছ থেকে একটি ভুয়া আইডি কার্ড, ভুয়া ভিজিটিং কার্ড, শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি কর্তৃক দুটি ভুয়া প্রত্যয়নপত্র, সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতাল ও বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নামে ভুয়া তদন্ত রিপোর্ট উদ্ধার করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমানকে বিষয়টি অবহিত করা হলে তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সামছুদ্দোহা শাওনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।পরে শাওনকে জেলহাজতে পাঠানোর জন্য ওসমানীনগর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত শাওন হজরত শাহজালাল ফাজিল মাদ্রাসায় গিয়েও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে পরীক্ষা হল পরিদর্শন করে এবং বিভিন্ন সময় সে ভুয়া কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শাওন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভুয়া কর্মকর্তা হিসেবে নিজের দোষ স্বীকার করেছে। তাকে জেলহাজতে পাঠানোর জন্য মঙ্গলবার সন্ধ্যায়ই ওসমানীনগর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়তে পারেন

+ There are no comments

Add yours